বাংলা রিপোর্ট//বাংলাদেশ দলের পাওয়ার হিটিং কোচ হিসেবে যোগ দেওয়ার পর থেকে ব্যাটারদের সঙ্গে ভিন্নধর্মী অনুশীলন করাচ্ছেন জুলিয়ান উড। বিশেষভাবে তৈরি একটি ব্যাট ব্যবহার করছেন তিনি, যার নাম প্রো ভেলোসিটি ব্যাট। এই ব্যাট দিয়ে ব্যাটারদের উন্নত হিটিং স্কিল গড়ে তুলতে কাজ করছেন জুলিয়ান। প্রো ভেলোসিটি ব্যাট মূলত শরীর ও ব্যাটের টাইমিং, ব্যাট স্পিড এবং কন্ট্রোল বাড়ানোর লক্ষ্যে তৈরি। সোমবার অনুশীলন শেষে কথা বলেন জাকের আলী অনিক। তিনিই মূলত তুলে ধরলেন জুলিয়নের অনুশীলন কৌশল!
সংবাদ মাধ্যমকে জাকের বলেছেন, ‘আমাদের পাওয়ার হিটিংয়ের কিছু স্কিল নিয়ে কাজ করছে জুলিয়ান। কীভাবে আরও উন্নতি করা যায়। যারা জেনেটিক্যালি ভালো আছে, তারা কীভাবে আরও ভালো করতে পারে। যারা টাইমার, তাদেরকে কীভাবে আরও ২-৩ মিটার ভালো দূরত্ব দেওয়া যায়, ওই জিনিসগুলো নিয়ে কাজ হচ্ছে।’
বিশেষ এই ব্যাটের মাধ্যমে কতটা উন্নতি হবে ব্যাটারদের, এমন প্রশ্ন সর্বত্র। জাকের অবশ্য সামনে তাকিয়ে, ‘পরিবর্তনগুলো ম্যাচ ছাড়া মেজার করা যাবে না। যেহেতু দুই-তিন দিনই হলো, ম্যাক্সিমাম স্কিল নিয়ে কাজ হয়েছে। তো এইগুলা, সামনে হয়তো সিলেটে আমাদের নেট হবে, ওইখানে আরও ডিফারেন্ট কিছু হবে। তো এত তাড়াতাড়ি কমেন্ট করাটা ঠিক হবে না যে কী ইমপ্রুভ হয়ে গেলো, কী না হলো। আরও একটু আমার মনে হয় সময় লাগবে। কিন্তু আমাদের যে কাজগুলো দেওয়া হয়েছে, ওই সেটা করার চেষ্টা করছি। তাই এই সুইং প্র্যাকটিসগুলো কিংবা ডিফারেন্ট ড্রিলসগুলো অবশ্যই কাজে আসবে।’
জাকেরের মতে,‘‘একেকজনের সুইং একেক রকম। কারও সুইং বেসবল টাইপ, কারও সুইং গলফ টাইপ। তো এটা ডিপেন্ড করে কে কোনটা নিবে। আসলে ও আসার পরেই বলছে, ‘আমি তোমাদেরকে এখানে… বেসিকের মধ্যেই আমি চেঞ্জেসটা আনতে চাচ্ছি।’ মানে ও ডিফারেন্ট কিছু দিয়ে দিবে না। তো ঐরকম কিছুই বলছে। সো যার যার প্যাটার্ন অনুযায়ী ও এই কাজটা দেওয়ার চেষ্টা করছে।’’
তবে জাকের আত্মবিশ্বাসী, ধারাবাহিক ভাবে কাজ করা গেলে সফল হওয়া সম্ভব, ‘হ্যাঁ অবশ্যই, ভালো একটা অনুভূতি আসে। যখন যে কয়টা সাউন্ড বের করতে বলে, ওইটা বের করা যায়, তখন ভালো লাগে। কিন্তু অনেক ফোর্স লাগে এটা বের করতে। সাউন্ডটা বের করতে ফোর্স লাগে, আরও এফোর্ট দিতে হয়। তো এই জিনিসগুলো ধারাবাহিকভাবে করলে অবশ্যই কাজে দিবে।’