1. masudkhan89@yahoo.com : admin :
  2. banglarmukhbd24@gmail.com : News Editor : News Editor
বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৪১ অপরাহ্ন

ট্যাক্সে ছাড় নয়, ব্যবসার সব বাধা দূর করার প্রতিশ্রুতি অর্থমন্ত্রীর

সাংবাদিক
  • আপডেট সময় : বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২ বার সংবাদ দেখেছেন

বাংলা রিপোর্ট//আগামী জাতীয় বাজেটে আয়কর ও ভ্যাটে ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা অনুযায়ী বড় ধরনের ছাড় দেওয়া সম্ভব হবে না বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তবে ব্যবসা পরিচালনায় বিদ্যমান সব ধরনের প্রতিবন্ধকতা দূর করার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও এফবিসিসিআই আয়োজিত প্রাক-বাজেট পরামর্শক কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয় বাজেটকে সামনে রেখে ব্যবসায়ী ও রাজস্ব কর্তৃপক্ষের মধ্যে এটি সবচেয়ে বড় পরামর্শমূলক সভা।

অর্থমন্ত্রী বলেন, “ট্যাক্সে বড় ধরনের ছাড় দেওয়া সম্ভব না হলেও ব্যবসা করতে যত বাধা রয়েছে, আমরা তা সরিয়ে দিতে চাই। প্রাইভেট সেক্টরের প্রবৃদ্ধিই দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নেবে।”

চট্টগ্রাম বন্দরের চার্জ ৪০ শতাংশ বৃদ্ধির সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘‘এ ধরনের সিদ্ধান্ত ব্যবসাবান্ধব নয়। পোর্টে দুর্নীতি ও ডুয়িং বিজনেসের প্রতিবন্ধকতা দূর করা হবে।’’ আগামী তিন মাসের মধ্যে ব্যবসায়ীরা তাদের সমস্যাগুলো আমাদের জানালে দ্রুত সমাধান করা হবে,” যোগ করেন তিনি।

অর্থনীতির স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)-এর কাছে সময় চাওয়া হয়েছে বলেও জানান অর্থমন্ত্রী। তার ভাষ্য, “আমরা আইএমএফকে বলেছি, দুই বছরের একটি কুশন প্রয়োজন। তৃতীয় বছর থেকে অর্থনীতি টেক-অফ করবে।” মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে নতুন সরকারকে অতিরিক্ত প্রায় ৪ বিলিয়ন ডলার ব্যয় বহন করতে হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই ব্যবসায়ী মহলের সঙ্গে নিয়মিত সংলাপ হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘‘প্রাইভেট সেক্টরই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। তাই তাদের সমস্যা সমাধানকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।’’

তিনি বলেন, ‘‘তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাত ভালো করলেও অন্যান্য খাত কেন পিছিয়ে আছে তা পর্যালোচনা করা হবে। প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তা দিয়ে অন্যান্য খাতকেও এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।’’

বড় ব্যবসায়ীদের মূলধন সংকটের বিষয়টি আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংককে জানানো হয়েছে উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘‘আগামী অর্থবছরে অপ্রয়োজনীয় মেগা প্রকল্পের পরিবর্তে কার্যকর অবকাঠামো খাতে গুণগত বিনিয়োগে গুরুত্ব দেওয়া হবে।’’

সভায় এফবিসিসিআই-এর পক্ষ থেকে মূল্যস্ফীতির চাপ বিবেচনায় ব্যক্তি শ্রেণির করমুক্ত আয়ের সীমা ৫ লাখ টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। সংগঠনের প্রশাসক মো. আব্দুর রহিম খান বলেন, ‘‘নারী ও প্রবীণদের জন্য এই সীমা সাড়ে ৫ লাখ টাকা এবং সর্বোচ্চ করহার ২৫ শতাংশ নির্ধারণ করা উচিত।’’

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খানের সভাপতিত্বে সভায় বিভিন্ন খাতের ব্যবসায়ী নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সামাজিক যোগাযোগ এ শেয়ার করুন

একই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২১ বাংলার মুখ বিডি
ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট @ ইজি আইটি সল্যুশন