স্পোর্টস ডেস্ক//চ্যাম্পিয়ন্স লিগে তুমুল লড়াইয়ের জন্ম দিয়েছে পিএসজি ও বায়ার্ন মিউনিখ। সেমিফাইনালের প্রথম লেগে গোলই হয়েছে ৯টি। তবে ৯ গোলের থ্রিলারে শেষ হাসি হেসেছে শিরোপাধারী প্যারিস সেন্ত জার্মেই (পিএসজি)। জার্মান জায়ান্টদের ৫-৪ গোলে হারিয়ে এগিয়ে গেছে তারা।
প্যারিসের শ্বাসরুদ্ধকর প্রথমার্ধেই হয়েছে পাঁচ গোল। এরপর দ্বিতীয়ার্ধে আরও তীব্র হয় আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ। ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তিন গোলের লিড গড়ে তোলে পিএসজি। তবে ইতোমধ্যেই বুন্দেসলিগা চ্যাম্পিয়ন বায়ার্ন ঘুরে দাঁড়িয়ে ব্যবধান কমিয়ে আনে এক গোলে। ফলে মিউনিখে হতে যাওয়া দ্বিতীয় লেগকে ঘিরে তৈরি হয়েছে দারুণ উত্তেজনা।
চলতি আসরে সবচেয়ে বেশি গোল করা দুই দল মুখোমুখি হওয়ায় শুরু থেকেই ছিল ম্যাচটা আক্রমণাত্মক হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছিল। শুরুতে এগিয়ে যায় বায়ার্ন, যখন ১৭ মিনিটে হ্যারি কেইন পেনাল্টি থেকে জাল কাঁপান। এর আগে লুইস দিয়াজকে ফাউল করেছেন পাচো।
যদিও অগ্রগামিতা স্থায়ী হয়নি। দ্রুতই ম্যাচে ফেরে পিএসজি। ২৪ মিনিটে বাঁ প্রান্ত থেকে বল পেয়ে দুর্দান্ত শটে সমতা ফেরান খিচা কাভারাস্কেইয়া। এরপর ৩৩ মিনিটে নেভেসের হেডে লিড নেয় স্বাগতিকরা। ৪১ মিনিটে আবার ব্যক্তিগত নৈপুণ্যে এক অসাধারণ গোল করে ম্যাচে সমতা ফেরান বায়ার্নের ওলিস।
প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে বিতর্কিত পেনাল্টি পায় পিএসজি। বক্সে হ্যান্ডবলের অভিযোগে আলফোনসো ডেভিসের বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত দেন রেফারি সান্দ্রো শেরার। ভিডিও রিপ্লে দেখে স্পট-কিকের সিদ্ধান্তে পৌঁছান তিনি। সেই পেনাল্টি থেকে ঠাণ্ডা মাথায় গোল করেন উসমান দেম্বেলে।
বিরতির পর সমতায় ফেরার চেষ্টা করে বায়ার্ন, কিন্তু রক্ষণে দুর্বলতা কাজে লাগিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় পিএসজি। ৫৬ মিনিটে আশরাফি হাকিমির ক্রস থেকে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন কাভারাস্কেইয়া। ৫৮ মিনিটে কাছের পোস্টে আরেকটি গোল করে ব্যবধান তিনে নিয়ে যান দেম্বেলে।
ছয় মিনিট পর উপামেকানোর গোল বায়ার্নকে কিছুটা স্বস্তি দিলে ৬৮ মিনিটে লুইস দিয়াজের দূরের কোণে নেওয়া শট আবারও দলটির ব্যবধান কমিয়ে আনে।