আন্তর্জাতিক ডেস্ক//পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় ও শেষ ধাপের ভোটগ্রহণ আগামীকাল বুধবার, ২৮ এপ্রিল শুরু হবে। মোট ১৪২টি আসনে ভোট হবে। এর মধ্যে রয়েছে কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া ও পুরুলিয়া। ৪ মে ভোট গণনা ও ফল প্রকাশ হবে।
এদিকে, প্রথম দফার ভোটে কাজ করা ২৬ জন পুলিশ আধিকারিককে দ্বিতীয় দফার ভোটেও কাজে লাগানো হচ্ছে। এই পুলিশ আধিকারিকদের কোথায় দায়িত্বভার গ্রহণ করতে হবে, সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে তা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট পুলিশ আধিকারিকদের মঙ্গলবার সকাল ১০টায় দায়িত্ব বুঝে নিতে বুঝার কথা বলা হয়েছে।
রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তাই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, যাদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাদের নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ দেওয়া হবে না।
দ্বিতীয় দফার ভোটার তালিকায় যুক্ত হলো আরও ১৪৬৮ নাম
ট্রাইবুনালে আবেদনের নিষ্পত্তি হওয়ার পরে দ্বিতীয় দফার ভোটে পাশ হওয়া ১৪৬৮ জনের নাম যুক্ত হয়েছে ভোটার তালিকায়। মঙ্গলবার প্রকাশিত অতিরিক্ত তালিকায় কলকাতা দক্ষিণে ৬৭৭ জনের নাম, কলকাতা উত্তরে ৫৯৬, হাওড়ায় ৭৭ জন, নদিয়ায় ৩৯ জন, উত্তর ২৪ পরগনায় ৩৪ জন, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৩০ জন, পূর্ব বর্ধমানে আট জন এবং হুগলিতে সাত জনের নাম যুক্ত হয়েছে ভোটার তালিকায়।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের ভোটারদের প্রথম চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করেছিল কমিশন। তার পর থেকে ধাপে ধাপে অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।
দ্বিতীয় দফার ভোটে আলোচনায় যে আসন
দ্বিতীয় দফার ভোটের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, ভবানীপুর কেন্দ্রে ভোট। কারণ, এই আসন থেকে লড়াই করছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূলেনত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে, তাঁর কঠিনতম প্রতিদ্বন্দ্বী রয়েছেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। গত বিধানসভা ভোটে শুভেন্দুর কাছে নন্দীগ্রামে পরাজিত হয়েছিলেন মমতা।
প্রথম দফার ভোট
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম ধাপে ভোট পড়েছে ৯৩.১৯ শতাংশ, যা ভারতের নির্বাচন কমিশন-এর তথ্য অনুযায়ী নজিরবিহীন। রাজ্যের ১৬টি জেলায় ১৫২টি আসনে সম্পন্ন হয় এ ভোটগ্রহণ। প্রথম দফার ভোট শেষে বিজেপি দাবি করেছে তারা ১৫২টি আসনের মধ্যে ১১০টির বেশি আসনে জিতবে। অন্যদিকে তৃণমূলের আশা, তাদের সাংগঠনিক শক্তি অটুট থাকবে।
সূত্র: আনন্দবাজার, এবিপি আনন্দ