1. masudkhan89@yahoo.com : admin :
  2. banglarmukhbd24@gmail.com : news editor : news editor
এই মাত্র : :
মেসির বিপক্ষে ফাইনাল, ইয়ামালের এলাকাজুড়ে উৎসবের আমেজ জান্নাতের ১০ মহা নেয়ামত, যা মুমিনকে অভিভূত করবে ইরানের ৫ সেতু ও একাধিক শহরে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক হামলা, নিহত ৮ মহাটক্কর দুই প্রজন্মের দুই মহাতারকারও এমবাপের ফ্রান্সকে উড়িয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে ইয়ামালের স্পেন শিক্ষার্থীদের প্রতিবছর একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড রাজ হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে অভিযান চালিয়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা বাবুগঞ্জে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর কুশল বিনিময় ফের ভারি বর্ষণের আভাস, ২৭ ঘণ্টায় ঢাকায় কত মিলিমিটার বৃষ্টি হলো আইআরজিসিকে ‘সন্ত্রাসী’ তালিকায় ফেলছে যুক্তরাজ্য

ইনহেলার ব্যবহারে কি রোজা ভাঙ্গে?

  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ৯ জুন, ২০২৩
  • ৩৫৩ বার সংবাদ দেখেছেন
ইনহেলার ব্যবহারে কি রোজা ভাঙ্গে?
ইনহেলার ব্যবহারে কি রোজা ভাঙ্গে?

বিশ্বের অনেক মুসলিম স্কলার একটি বিষয়ে এক সভায় একমত হয়েছেন যে, যদি দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যের অবস্থা যেমন-অ্যাজমা ও সিওপিডি সমস্যা থাকে এবং সে যখন রোজা রাখে তখন ইনহেলার আকারে নেওয়া অ্যাজমা ও সিওপিডি ওষুধগুলো রোজা ভঙ্গ করে না।
বিষয়টি মেডিক্যাল জার্নালেও প্রকাশ হয়েছে। যদি কেউ তার রোজার অংশ হিসাবে সঠিকভাবে ওষুধ গ্রহণ না করাকে বেছে নেন, তবে তার অ্যাজমা ও সিওপিডি লক্ষণগুলো আরও খারাপ হতে পারে।

ইনহেলার ব্যবহারে রোজা ভেঙে যায়-রোগীদের এ দ্বিধা মোকাবিলায় সহায়তা করা গুরুত্বপূর্ণ। একটি পদ্ধতি হলো রোগীদের তাদের ইনহেলার ব্যবহারের সময় নিয়ে সাহায্য করা। বেশিরভাগ অ্যাজমা ও সিওপিডি এর প্রতিরোধক ওষুধগুলো দিনে দুবার নির্ধারিত হয়। এক্ষেত্রে চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করে রোগীরা সেহরির সময় এবং ইফতারের সময় ICS বা ICS+LABA দৈনিক প্রতিরোধক ইনহেলার পুনঃবিন্যাস করতে পারেন।

যেহেতু হাঁপানি নিয়ন্ত্রণ রাখার জন্য রোগীদের তাদের প্রতিরোধক ইনহেলার (ICS ও LABA) নির্ধারিত হিসাবে গ্রহণ করা চালিয়ে যেতে হবে। রমজান মাসে প্রতিরোধক থেরাপি মেনে চলার গুরুত্ব সম্পর্কে চিকিৎসকদের কর্তব্য রোগীদের সচেতন করা বা সম্ভাব্য ক্ষতি সম্পর্কে জানিয়ে দেয়া। রমজান মাসে রোগীদের ধূমপান বন্ধ করার একটি সুবর্ণ সুযোগ হতে পারে। রোগীরা চাইলে এ সময়টা ধূমপান (যারা করেন) পরিহার করে ইনহেলার ব্যবহারজনিত রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেন।

লেখক : সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগ, সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ

সামাজিক যোগাযোগ এ শেয়ার করুন

একই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২১ বাংলার মুখ বিডি
Site Customized By NewsTech.Com