1. masudkhan89@yahoo.com : admin :
  2. banglarmukhbd24@gmail.com : news : news editor
এই মাত্র : :
কাউকে টক্সিক বলার আগে নিজেকে যে প্রশ্নগুলো করবেন মেসির বিদায়ী ম্যাচের পর আর্জেন্টিনার কোচের রহস্যময় বক্তব্য ভালো থেকো, লিও মেসির জার্সি পাওয়া নিয়ে বেনিনের দুই খেলোয়াড়ের তর্ক চীনের ক্ষমতাবান নেতা হওয়ার আগে সবকিছু হারিয়েছিলেন শি জিনপিং একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি নিশ্চায়নের সুযোগ শেষ হচ্ছে আজ ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনের আগে ইসরায়েলে অস্থিরতা দেখা দিতে পারে শ্রেয়াসের প্রথম সেঞ্চুরি, ৩২ বল হাতে রেখেই জয় ভারতের প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ।। ‘৯ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পে আনোয়ার হোসেন শিকদারের রাজত্ব’ শীর্ষক প্রতিবেদনের প্রতিবাদ ইরান কি হরমুজ প্রণালিতে গোপনে টোল আদায় করছে
Uncategorized

ভালো থেকো, লিও

  • আপডেট সময় : বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৩ বার সংবাদ দেখেছেন

খেলা ডেস্ক: বেনিনের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে আর্জেন্টিনার জার্সিতে বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টেনেছেন বিশের দশকের অন্যতম সেরা ফুটবলার লিওনেল মেসি। তাঁর এই বিদায় কেবল একটি যুগের অবসানই নয়, বরং বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা কোটি ভক্তের মনে এক গভীর শূন্যতার সৃষ্টি করেছে। ভিনদেশি এই ফুটবল তারকার সঙ্গে পরিচয়টা অনেকের জন্যই ছিল আকস্মিক, যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছিল। বহু বছর আগে অচেনা এক তরুণের ছবি দেখে যে ভালো লাগার শুরু হয়েছিল, তা পরবর্তীতে বিশ্ব ফুটবলের প্রতি অন্ধ ভক্তিতে রূপ নেয়।

কৈশোরের সেই দিনগুলোতে কঠোর নিয়মের বেড়াজালে আবদ্ধ থেকেও ভক্তরা নানা উপায়ে এই খুদে জাদুকরের খেলা অনুসরণ করতেন। হোস্টেলের লুকিয়ে রাখা ম্যাগাজিন থেকে শুরু করে সংবাদপত্রের পাতা কেটে মেসির ছবি জমানো—সবকিছুই যেন সেই আবেগের বহিঃপ্রকাশ ছিল। সময়ের পরিক্রমায় সেই কৈশোরের ক্রাশ বা ভালো লাগা পরিণত হয় এক গভীর আত্মিক সম্পর্কে। মেসিকে খেলতে দেখতে গিয়ে নানান লুকোচুরি এবং মজার স্মৃতি আজও অনেক ভক্তের মনে অমর হয়ে আছে, যা তাদের কৈশোর ও তারুণ্যের সোনালী দিনগুলোকে স্মরণ করিয়ে দেয়।

ফুটবলের এই বরপুত্রের ক্যারিয়ারে যেমন ছিল ২০১৪ সালের হতাশা, তেমনি ২০২২ সালের বিশ্বকাপ জয়ের মতো পরম আনন্দের মুহূর্তও যুক্ত রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলোতে ভক্তদের নানা ধরনের কুসংস্কার বা অন্ধবিশ্বাস মেনে চলার গল্পগুলোও বেশ রোমাঞ্চকর। অনেকেই ম্যাচের শেষ মুহূর্তগুলো উৎকণ্ঠায় না দেখে প্রার্থনা করে কাটিয়েছেন, যা প্রমাণ করে এই ফুটবলারের প্রতি সমর্থকদের ভালোবাসা কতটা গভীর ছিল। বিশ্বমঞ্চে তাঁর সাফল্য যেন ভক্তরা নিজেদের ব্যক্তিগত বিজয় হিসেবেই উদযাপন করতেন।

জাতীয় দলের জার্সিতে মেসির এই দীর্ঘ বিশ বছরের পথচলা কেবল গোল বা ট্রফির হিসাব নয়, বরং এটি ছিল এক প্রজন্মকে জাদুকরি ফুটবলে মোহিত করে রাখার ইতিহাস। মাঠের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পাশাপাশি তাঁর অমায়িক ব্যক্তিত্ব ও বিনয় তাঁকে অন্য সবার চেয়ে আলাদা করেছে। আজকের এই বিদায়ের পর আকাশি-সাদা জার্সিতে তাঁকে আর কখনো দেখা যাবে না—এই সত্য মেনে নিতে ভক্তদের বেশ কষ্টই হবে। পৃথিবীর অপর প্রান্তের কোনো এক অচেনা ভক্তের মতো কোটি মানুষের মন আজ বিষণ্ন, আর সবার একটাই কথা—ভালো থেকো, লিও।

সামাজিক যোগাযোগ এ শেয়ার করুন

একই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২১ বাংলার মুখ বিডি
Site Customized By NewsTech.Com