1. masudkhan89@yahoo.com : admin :
  2. banglarmukhbd24@gmail.com : News Editor : News Editor
বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন

ইউক্রেনের পকরোভস্ক দখলে মরিয়া রাশিয়া

সাংবাদিক
  • আপডেট সময় : সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৪ বার সংবাদ দেখেছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক//ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় কৌশলগত কেন্দ্র পকরোভস্ক দখল করতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে রাশিয়া। সোমবার ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, পুরো ডনেস্ক অঞ্চল কবজায় নেওয়ার লক্ষ্যে মাসব্যাপী চলা অভিযানের সমাপ্তি টানতে রুশ সেনারা শহরটিতে তীব্র চাপ সৃষ্টি করছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

১ হাজার ২০০ কিলোমিটার দীর্ঘ ফ্রন্ট লাইনের বিভিন্ন পয়েন্টে রুশ অগ্রগতি ঠেকিয়ে রাখতে হিমশিম খাচ্ছে কিয়েভ। এমন এক সময়ে এই লড়াই তীব্র হলো, যখন চার বছরের এই যুদ্ধ বন্ধে একটি শান্তি চুক্তিতে পৌঁছাতে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইউক্রেনের ওপর চাপ বাড়ছে।

রেলওয়ে যোগাযোগের প্রধান কেন্দ্র পকরোভস্ক শহরটি গত বছর থেকেই তীব্র লড়াইয়ের সাক্ষী হয়ে আছে। কিয়েভের জেনারেল স্টাফ সোমবার জানিয়েছে, যুদ্ধপূর্ব ৬০ হাজার জনসংখ্যার এই শহরের উত্তর অংশ এখনও তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এছাড়া পার্শ্ববর্তী ছোট শহর মিরনোহরাদ রক্ষায়ও লড়ে যাচ্ছে তারা।

বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৪ সালের শুরুতে আভদিভকা দখলের পর পকরোভস্কের পতন হবে রাশিয়ার জন্য সবচেয়ে বড় যুদ্ধক্ষেত্র বিজয়। গত বছরের শেষের দিকে মস্কো শহরটি দখলের দাবি করলেও কিয়েভ তা প্রত্যাখ্যান করেছিল।

ইউক্রেনের সেভেনথ র‍্যাপিড রেসপন্স কোর জানিয়েছে, পর্যাপ্ত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অভাবকে কাজে লাগিয়ে রাশিয়া গাইডেড বোমা এবং বিশাল জনশক্তি ব্যবহার করে পকরোভস্ক ও মিরনোহরাদ এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করছে।

ইউক্রেনীয় ওপেন-সোর্স গবেষণা সংস্থা ডিপস্টেট বলছে, রুশ পদাতিক বাহিনী এখন পকরোভস্কের উত্তর অংশে অবস্থান করছে এবং পার্শ্ববর্তী গ্রাম হ্রিশিনের দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করছে। সংস্থাটির মানচিত্র অনুযায়ী, পকরোভস্ক এবং মিরনোহরাদের বেশিরভাগ এলাকা এখন রুশ নিয়ন্ত্রণে। তারা বর্তমান এই লড়াইকে এই দুই শহরের জন্য ‘শেষ যুদ্ধ’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।

২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি আক্রমণ শুরু করার পর রাশিয়া এখন পর্যন্ত ইউক্রেনের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ অঞ্চল দখল করে আছে। মস্কো এখন দাবি করছে, কিয়েভকে ডনেস্কের অবশিষ্ট ২০ শতাংশ এলাকাও ছেড়ে দিতে হবে। তবে কিয়েভ এই দাবি মানতে নারাজ।

শান্তি আলোচনায় ভূখণ্ড ত্যাগের বিষয়টি রাশিয়ার কাছে মৌলিক গুরুত্ব বহন করলেও জরিপ বলছে, অধিকাংশ ইউক্রেনীয় স্লাভিয়ানস্ক এবং ক্রামাতোরস্কের মতো দুর্গ শহরগুলো রাশিয়ার হাতে ছেড়ে দিতে রাজি নন।

ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনীর সেভেনথ র‍্যাপিড রেসপন্স কোর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতেও পুরো ডনেস্ক অঞ্চল দখল করতে রাশিয়ার আরও কয়েক বছর লেগে যাবে। বিশেষ করে স্লাভিয়ানস্ক-ক্রামাতোরস্ক এলাকায় লড়াই আরও তিন বছর চলতে পারে, যার বিনিময়ে আক্রমণকারী বাহিনীকে বিশাল ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে।

সামাজিক যোগাযোগ এ শেয়ার করুন

একই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২১ বাংলার মুখ বিডি
ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট @ ইজি আইটি সল্যুশন