1. masudkhan89@yahoo.com : admin :
  2. banglarmukhbd24@gmail.com : News Editor : News Editor
শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০৮:৫১ পূর্বাহ্ন

তাইওয়ান নিয়ে ট্রাম্পের নতুন আইন, তাইপে খুশি হলেও নাখোশ বেইজিং

সাংবাদিক
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৪১ বার সংবাদ দেখেছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক//তাইওয়ানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক যোগাযোগের নির্দেশিকা নিয়মিত পর্যালোচনা ও হালনাগাদ করার বিধানযুক্ত একটি আইন স্বাক্ষর করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর প্রতিক্রিয়ায় বুধবার (৩ ডিসেম্বর) কৃতজ্ঞতা প্রকাশ হয়েছে তাইওয়ান। অন্যদিকে, ট্রাম্পের এই পদক্ষেপে বেজার হয়েছে চীন।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক না তারাই তাইওয়ানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক মিত্র। গণতান্ত্রিকভাবে পরিচালিত দ্বীপটির ওপর দখলদারত্বের দাবি নিয়ে বেইজিংয়ের সঙ্গে ওয়াশিংটনের টানাপড়েন লেগেই থাকে।

২০২১ সালে তৎকালীন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও তাইওয়ান ও মার্কিন কর্মকর্তাদের মধ্যে যোগাযোগ নিষেধাজ্ঞা তুলে নেন, যা ১৯৭৯ সালে ওয়াশিংটন বেইজিংকে স্বীকৃতি দেওয়ার পর আরোপ করা হয়েছিল।

মঙ্গলবার আইনে পরিণত হওয়া তাইওয়ান অ্যাশুর‍্যান্স ইমপ্লেমেন্টেশন অ্যাক্ট অনুযায়ী, তাইওয়ানের সঙ্গে যোগাযোগ নির্দেশিকা যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরকে অন্তত পাঁচ বছরে একবার পর্যালোচনা করতে হবে।

তাইওয়ান প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের মুখপাত্র ক্যারেন কুও এক বিবৃতিতে বলেন, আইনটি তাইওয়ানের সঙ্গে মার্কিন যোগাযোগের মূল্যকে পুনর্ব্যক্ত করে, তাইওয়ান–যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করার পক্ষে অবস্থান নেয় এবং গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও মানবাধিকারের প্রতি আমাদের যৌথ মূল্যবোধের দৃঢ় প্রতীক হয়ে দাঁড়ায়।

তাইওয়ানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিন চিয়া-লুং সাংবাদিকদের বলেন, নির্দেশিকা ঘন ঘন পর্যালোচনা করা হলে তাইওয়ানের কর্মকর্তারা যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল সংস্থাগুলোতে বৈঠকের জন্য প্রবেশ করতে পারবেন। অবশ্য আইনটিতে তার দাবির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ সরাসরি কোনও বক্তব্য নেই।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্তে চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও “চীনের তাইওয়ান অঞ্চল”-এর মধ্যে যেকোনও ধরনের আনুষ্ঠানিক যোগাযোগে বেইজিং দৃঢ় বিরোধিতা করে। তাইওয়ান প্রশ্ন চীনের মূল স্বার্থের কেন্দ্রবিন্দু এবং চীন–যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের প্রথম লাল রেখা, যা অতিক্রম করা যাবে না।

তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের উচিত “তাইওয়ান প্রশ্নে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা এবং তাইওয়ানের সঙ্গে সমস্ত সরকারি যোগাযোগ বন্ধ করা।

এদিকে, তাইওয়ানের সরকার চীনের দাবিকে প্রত্যাখ্যান করে বলে, তারা বিশ্বব্যাপী যে কোনও দেশের সঙ্গে স্বাধীনভাবে যোগাযোগ করার অধিকার রাখে।

সূত্র: রয়টার্স

সামাজিক যোগাযোগ এ শেয়ার করুন

একই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২১ বাংলার মুখ বিডি
ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট @ ইজি আইটি সল্যুশন